To Parents, For Children

ঋণ পরিশোধ
অনেক বছর আগে, যখন আকবর ভারতের সম্রাট ছিলেন, তখন তাঁর রাজধানী ছিল দিল্লিতে। আকবর ছিলেন খুবই বুদ্ধিমান শাসক। তিনি নিজে খুব বেশি লেখাপড়া না জানলেও জ্ঞানী ও প্রতিভাবান মানুষদের খুব সম্মান করতেন। তাঁর দরবারে অনেক বিখ্যাত মানুষ ছিলেন। কেউ ছিলেন গায়ক, কেউ কবি, কেউ রাজনীতিবিদ, আবার কেউ ছিলেন হাস্যরসিক। এদের মধ্যে সবচেয়ে মজার ও বুদ্ধিমান ছিলেন বীরবল। বীরবল সাধারণ পরিবারের মানুষ ছিলেন, কিন্তু তাঁর বুদ্ধি আর গল্প বলার ক্ষমতা ছিল অসাধারণ। তিনি এমন মজার গল্প বলতেন যে সবাই হেসে কুটিকুটি হয়ে যেত। একদিন বীরবলের গল্প শুনে সম্রাট আকবর এত হাসলেন যে চোখে পানি এসে গেল। তিনি বললেন, — বীরবল, আজ তুমি আমাকে এত হাসিয়েছ যে আমি খুব খুশি হয়েছি। বলো, কী পুরস্কার চাও? যা চাইবে, তাই দেব। বীরবল উঠে সম্মান

ন্যাওটা বাবু
সকাল থেকে বিভার মায়ের দিনটা চলছিল একেবারে ঘড়ির কাঁটার মতো—ভাত চড়ানো, কাপড় ভাঁজ করা, ফোনের মেসেজের উত্তর দেওয়া, আর মাঝেমধ্যে বিভার হাতে ভুল জিনিসটা না পড়েছে কিনা দেখে নেওয়া। এর মধ্যেই বিভা বেশ শান্ত হয়ে বসেছিল। লাল স্ট্যাকিং কাপগুলো একটার ওপর একটা বসাচ্ছে, আবার নিজেই ফেলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। মা দূর থেকে তাকিয়ে ভাবলেন, আহা, আজ তো মেয়েটা বেশ নিজের মতো খেলছে! ঠিক তখনই তাঁর বাথরুমে যাওয়ার দরকার হলো। মা বেশি আয়োজন করলেন না। শুধু বললেন, “আমি একটু যাচ্ছি, আবার আসছি।” তারপর দরজাটা আস্তে করে লাগালেন। কিন্তু বিভার কাছে “আবার আসছি” কথাটা তখনো খুব বিশ্বাসযোগ্য কিছু নয়। দরজা বন্ধ হতেই তার মুখ গম্ভীর। তারপর ছোট্ট পায়ের শব্দ। তারপর দরজার ওপাশে এক করুণ ডাক— “আম্মু! আম্মু! আম্মু!” মা ভেতর থেকে




